বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ১১:৩১
শিরোনাম :
বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ নলছিটিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গণমাধ্যম সচেতনতায় তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত তারুণ্যের নলছিটির ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

প্রশাসনের সহায়তায় পটুয়াখালীতে নতুন ঘর পেলেন বীরাঙ্গনা

ডেক্সরিপোর্ট:পটুয়াখালী সদর উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সহযোগিতায় টিনের নতুন ঘর পেয়েছেন বীরাঙ্গনা ফুল বরু।

শনিবার ইটবাড়িয়ায় তাকে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।

জানাগেছে, একদিন সদর থানায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের অভিযোগ দিতে আসেন ইটবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা আজাহার মোল্লার বৃদ্ধ স্ত্রী বীরাঙ্গনা ফুল বরু।

এরপর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান ফুলবরুর গ্রামের বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে জরাজীর্ণ ঘর দেখতে পেয়ে তাকে একটি নতুন ঘর বানিয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন।

এরপর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা লতিফা জান্নাতির কাছ থেকে ২ বান্ডিল টিন ও ৮ হাজার টাকা সহযোগিতা নিয়ে নিজের অর্থ দিয়ে ঘর বানানোর উদ্যোগ নেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।

ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ফুল বরু একজন ত্যাগী নারী। তিনি দেশের জন্য নিজের সর্বস্ব ত্যাগ করেছেন। তার স্বামী-সন্তান নেই। বহুকষ্টে জীবন কাটছিল। তাই ওনাকে একটি ঘর বানিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। সে অনুযায়ী সাধ্যমত ঘর বানিয়ে আজ তাকে হস্তান্তর করলাম।’

অশ্রুশিক্ত নয়নে ফুলবরু বলেন, আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। যারা ঘর বানিয়ে দিয়েছেন আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২মে পাক বাহিনীর গোলাগুলির মুখে পালিয়ে যাবার সময় ধরা পড়েন ফুলবরু। এরপর ১০ দিন পটুয়াখালী সার্কিট হাউজে আটকে রেখে তার ওপর নিপীড়ন চালায় পাক সেনারা।

এক পর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে কচাবুনিয়া নদীর তীরে তাকে ফেলে রেখে যায় তারা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে ফুলবরুর সংসার হয়েছে, কিন্তু তিনি মা হতে পারেননি।